সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

ডিসি, এসপি ও ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিতে কাদের মির্জার থানা ঘেরাও

তরফ নিউজ ডেস্ক: নোয়াখালী জেলার ডিসি খুরশেদ আলম খান, পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, কোম্পনীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনির প্রত্যাহার ও কোম্পনীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে গ্রেফতারের দাবিতে কোম্পানীগঞ্জ থানা ঘেরাও করেছেন জেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা।

আজ রাত সোয়া নয়টা তিনি তার দলবল নিয়ে থানা ঘেরাও করেন। রাত সাড়ে নয়টায় এ রিপোর্ট লেখার সময়ও ঘেরাও কর্মসূচী অব্যাহত ছিল। এসময় আবদুল কাদের মির্জার সমর্থকরা থানার সামনে বিভিন্ন ধরণের স্লোগান দেন।

নোয়াখালীর ডিসি, এসপি, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি ও ওসি তদন্তের প্রত্যাহার এবং কোম্পানীগঞ্জ চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা (সন্ত্রাসী) ফখরুল ইসলাম সবুজকে গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেছেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি থানা ঘেরাও করেন।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা (সন্ত্রাসী) ফখরুল ইসলাম সবুজ টেকের বাজারে তার কিছু অনুসারীদের নিয়ে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। এতে তিনি মেয়র কাদের মির্জার বিরুদ্ধে অশালীন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেন।

খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসী ফখরুল ইসলাম সবুজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাকে (সবুজ) পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে এমন খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে কাদের মির্জা নিজেই থানা ঘেরাও করে থানার ফটক অবরোধ করে রেখেছেন।

আবদুল কাদের মির্জার দাবি, দায়িত্বে অবহেলার জন্য নোয়াখালীর ডিসি খুরশেদ আলম খান, এসপি মো. আলমগীর, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি ও ওসি তদন্ত মো. রবিউল হকের প্রত্যাহার ও কোম্পানীগঞ্জ চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা (সন্ত্রাসী) ফখরুল ইসলাম সবুজ ও তার আশ্রয়দাতা মিজানুর রহমান বাদল ও ফখরুল ইসলাম রাহাতকে গ্রেফতার করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। এ রিপোর্ট লেখা (রাত সাড়ে ৯টা) পর্যন্ত অবরোধ চলছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com