সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৮:০১ অপরাহ্ন

গাজায় এপি ও আল জাজিরার অফিস গুঁড়িয়ে দিলো ইসরায়েল

আন্তর্জতিক ডেস্ক: গাজা উপত্যকায় টানা ষষ্ঠ দিনের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আজ শনিবার হামলা চালিয়ে এপি, আল জাজিরাসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল।

বার্তাসংস্থা এপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক বাহিনী ১২তলা ওই ভবনটি খালি করার নির্দেশ দেওয়ার এক ঘণ্টা পরেই সেখানে হামলা চালায় ইসরায়েল। কেন এটিতে হামলা করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ওই ভবনটিতে এপি, আল জাজিরাসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের অফিস ছিল।

গণমাধ্যমের অফিস থাকা ওই ভবনটিতে হামলার ঘটনায় এপির প্রেসিডেন্ট ও সিইও আল জাজিরাকে বলেছেন, আল-জাজিরা ভবনে যেখনে এপির অফিস ছিল, সেখানে ইসরায়েলি আক্রমণ ‘অবিশ্বাস্যরূপে বিরক্তিকর’। তিনি এতে ‘ব্যথিত ও আতঙ্কিত’।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় আল জাজিরার সাংবাদিক সাফওয়াত আল-কাহালাউট বলেন, ‘আমি ১১ বছর ধরে এখানে কাজ করছি। আমি এই ভবন থেকে অনেক ইভেন্ট কাভার করেছি। দুই সেকেন্ডের মধ্যে সবকিছুই শেষ হয়ে গেল।’

‘আমার সব সহকর্মীরা এই দুঃখের পরেও এক মুহূর্তও থেমে নেই। তারা আল জাজিরাকে খবর প্রকাশের দিক থেকে শীর্ষে রাখার জন্যে বিকল্পের সন্ধান করছে’, তিনি বলেন।

আল জাজিরা ইংলিশের একজন সংবাদ উপস্থাপিকা বলেন, ‘আল-জাজিরাকে নীরব করা যাবে না। সে বিষয়ে এখন আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি।’

আজই গাজার একটি শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলের হামলায় ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই জন নারী ও বাকিরা শিশু।

ফিলিস্তিনিরা শনিবার ইসরায়েলিদের অব্যাহত দখল ও গাজায় চলমান বোমা হামলার প্রতিবাদে দখলকৃত পশ্চিম তীরের কয়েকটি জায়গায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেছে। ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের জন্য জায়নবাদী মিলিশিয়ারা সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিককে উচ্ছেদের প্রতিবাদে নাকবা দিবস বা ‘বিপর্যয়’ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে সংহতি সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এপির তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের হামলায় সোমবার থেকে গাজায় ৩৯ শিশুসহ কমপক্ষে ১৪০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৯৫০ জন। দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী কমপক্ষে ১৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com