রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ড্রোন নজরদারি, মাঠে ৩৪ প্লাটুন বিজিবি বাহুবলে প্রভাবশালীদের দখল থেকে আড়াই একর সরকারি বনভূমি উদ্ধার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি জেলা পরিষদের পুকুর দখল, এক মাসের কারাদণ্ড চা বাগানে পূজার আনন্দ, শ্রমিকদের পাশে এমপি ফয়সল চুনারুঘাটে অবিরাম ভাঙছে পাহাড়-টিলা, নেই টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার: সিভিল সার্জন দুর্গাপূজায় চালের বরাদ্দ বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী: এমপি ফয়সল বিদ্যালয়ে শিক্ষিকাকে হয়রানির অভিযোগ: সচেতন মহলের ক্ষোভ চুনারুঘাটে হযরত মুজিবুর রহমান (র:) হিফজ ও এতিমখানা: দুস্থ ও এতিম শিশুদের নিরাপদ ঠিকানা

বিমানের প্রধান পরিচালকের নিয়োগ বাতিল, বরখাস্ত প্রধান প্রকৌশলী

তরফ নিউজ ডেস্ক : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (প্রকৌশল) খন্দকার সাজ্জাদুর রহিমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল হয়েছে। বরখাস্ত হয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) গাজী মাহমুদ ইকবাল।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কুর্মিটোলায় বিমানের প্রধান কার্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিমানের পরিচালনা পর্ষদের একাধিক সদস্য নিশ্চিত করেছেন।

বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুহম্মাদ এনামুল বারীর সভাপতিত্বে সভায় সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হলেও এমডি নিয়োগ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিচালনা পর্ষদের এক সদস্য জানান, ইজিপ্ট এয়ারের কাছ থেকে লিজ নেওয়া দুটি উড়োজাহাজ ফেরত সংক্রান্ত বিষয়ে গাফিলতির কারণে বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) গাজী মাহমুদ ইকবালকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল চুক্তিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (প্রকৌশল) পদে নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাজ্জাদুর রহিম।

তিনি প্রকৌশল বিভাগের পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে ২০১৭ সালের ২ মে থেকে ২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এ পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহমুদ ইকবাল।

২০১৪ সালে মিশরের ইজিপ্ট এয়ার থেকে ৫ বছরের চুক্তিতে ড্রাই লিজে দুটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর উড়োজাহাজ সংগ্রহ করে বিমান। ২০১৪ সালের মার্চে একটি ও অন্য উড়োজাহাজটি যুক্ত হয় একই বছর মে মাসে।

লিজের চুক্তি অনুসারে উড়োজাহাজ দুটি যাত্রী পরিবহন করুক আর না করুক, মাসে উড়োজাহাজ প্রতি ৫ লাখ ৮৫ হাজার ডলার (৪ কোটি ৭০ লাখ ১৬ হাজার টাকা) ভাড়া দিতে হবে। সব ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বিমানকে বহন করতে হবে। ৫ বছরের আগে চুক্তি বাতিল করতে পারবে না বিমান। লিজের মেয়াদ শেষে উড়োজাহাজ দুটি আগের অবস্থায় (ভাড়া নেওয়ার সময় যে অবস্থায় ছিল) ফেরত দিতে হবে।

তবে ত্রুটিপূর্ণ উড়োজাহাজ দুটি দীর্ঘ সময় বিকল হয়ে পড়ে থাকে।

লিজে আনা দুটি উড়োজাহাজ আনার ক্ষেত্রে বিমান কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে কি না, খতিয়ে দেখা শুরু করে মন্ত্রণালয়। বিমান দুটি ফেরত দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয় মন্ত্রণালয় থেকে।

এ বছর ১৬ জুলাই একটি উড়োজাহাজ ইজিপ্ট এয়ারকে ফেরত দেয় বিমান। ফেরত পাঠাতে পাওনা পরিশোধসহ ৪১ কোটি ডলার খরচ হয় বিমানের। অন্যটি এখনও ফেরত দিতে পারেনি বিমান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com