শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

ছেলের স্বপ্ন পূরণ করতে চান এসি রবিউলের মা

তরফ নিউজ ডেস্ক : গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ হামলা ও হত্যা মামলায় সাত জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ওই ঘটনায় নিহত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল করিমের (কামরুল) মা করিমন নেছা। পাশাপাশি তিনি ছেলের প্রতিষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষায়িত স্কুলটি সঠিকভাবে পরিচালনা করে এসি রবিউলের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চান বলে জানিয়েছেন।

বুধবার দুপুর ১২টায় ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ হামলা ও হত্যা মামলায় সাত জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় দেন। রায় শুনে জঙ্গি হামলায় নিহত এসি রবিউল করিমে (কামরুল) মা করিমন নেছা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘পুত্র হত্যার বিচার পেয়েছি। এবার আমার ছেলের স্বপ্ন পূরণ হবে কী!’

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কাটিগ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি বলেন, অভিযুক্তদের ফাঁসির রায় হওয়ায় আমার পরিবার সন্তুষ্ট। তবে দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, পুলিশ প্রশাসন, বিচার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে করিমন নেছা বলেন, আমি তো আমার পুত্র হত্যার বিচার পেয়েছি। এখন আমার সোনার স্বপ্ন পূরণ হলে আমি শান্তি পেতাম। রবিউল স্বপ্ন দেখতেন নিজ গ্রামে হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষায়িত বিদ্যালয় স্থাপন করার। ‘ব্লুমস’ নামে প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষায়িত বিদ্যালয়টি ২০০১ স্থাপন করলেও ৫ বছরের মাথায় রবিউল জঙ্গি হামলায় মারা যায়। ও বাড়ি আসলে সারা দিন পড়ে থাকত প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ে।

তিনি বলেন, কিন্তু রবিউল মারা যাওয়ার পর অর্থের অভাবে স্কুলটি চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বর্তমানে মাসে ৮০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। সরকার, গ্রামের মানুষ ও রবিউলের বন্ধুরা সব খরচ দিচ্ছে। আবাসিক করে স্কুলটি স্বচ্ছভাবে চালাতে পারলে আমার রবিউলের স্বপ্ন পূরণ হতো।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন।

এসি রবিউল করিমের মা ও ছোট ভাই ছাড়াও স্ত্রী এবং দুই সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে মেয়ে রাইনা বাবার মৃত্যুর এক মাস পর জন্মগ্রহণ করে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com