রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ করে পুরস্কার পেলেন প্রবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক : কেবলমাত্র অভিযোগ করেই ২ হাজার টাকা পুরস্কার পেয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আজিজুর রহমান নামের এক প্রবাসী শ্রমিক।

শহরের বাণিজ্যিক এলাকার সুনামধন্য কামাল হোমিও হল থেকে গত ৪ অক্টোবর আলফালফা টনিক নামের একটি ঔষুধ কিনেছিলেন তিনি। ২ হাজার টাকা দিয়ে কেনা ঔষুধটি নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পড়ে তার চোখে পড়লো, এতে মেয়াদ কিংবা মূল্য কোনটিই লেখা নেই। তিনি সাথে সাথে ৩৩৩ থেকে নাম্বার নিয়ে যোগাযোগ করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হবিগঞ্জ কার্যালয়ে।

কার্যালয়ের কর্মকর্তা তাকে উপযুক্ত প্রমাণসহ একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরামার্শ দেন। এরপর বহু ভেবে-চিন্তে তিনি গত ২৭ অক্টোবর ভোক্তা অধিদপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরদিন ২৮ অক্টোবর এক অভিযান চলাকালে অভিযোগপত্রসহ কামাল হোমিও হলে হানা দেয় ভোক্তা অধিদপ্তরের টিম। এসময় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয় ঔষুধটির ক্রয় মূল্য ১ হাজার ৫০ টাকা এবং এর গায়ে কোন মূল্য লেখা না থাকায় তারা ১ হাজার দুইশো থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত রেখে থাকেন। এসময় তারা ২ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগটি অস্বীকার করেন। এসময় ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা গত ৪ নভেম্বরের ভাউচারের কার্বনকপি ও সিসি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে অভিযোগের সত্যতা মিলে। এতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয় ঘটনার দিন ভুলক্রমে এ মূল্য রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আর কখনই এমন ভুল হবে না। এসময় সার্বিক দিক বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানটিকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করে অধিদপ্তর। ভোক্তা অধিকার আইন অনুসারে জরিমানা ২৫ শতাংশ পান অভিযোগকারী।

এ হিসাবে অভিযোগকারী মো. আজিজুর রহমান মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকালে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের কাছ থেকে তার পাওনা ২ হাজার টাকা বুঝে নেন। এসময় তিনি অন্যান্য ভোক্তাদেরকেও প্রতারণার স্বীকার হলে ভোক্তা অধিদপ্তরের শরণাপন্ন হওয়ার পরামার্শ দেন।

তিনি বলেন, কোন ধরণের হয়রানি ও ফি ছাড়াই এত সহজ প্রতিকার পাওয়ায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সেবার প্রতি তার আস্থা বহুগুন বেড়ে গেছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com