সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মিষ্টি আলু চাষে হাসি ফুটেছে কৃষক সেলিম মিয়ার মুখে জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী অমর একুশে বইমেলায় লিমনের দু’টি নতুন গল্পগ্রন্থ প্রকাশ প্রশাসনের সভায় এমপি’র স্ত্রী, ইউএনও ও এসি ল্যান্ডকে বদলি ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ালো কাতার বাহুবল প্রেসক্লাবের সঙ্গে রেজা পত্নী সিমি কিবরিয়ার মতবিনিময় বর্তমান বাংলা’র চুনারঘাট প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন আসাদ ঠাকুর যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে : প্রধান উপদেষ্টা চুনারুঘাটে সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক বিক্রেতাদের আটক বাহুবলে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে রাতভর অভিযান, যুবকের কারাদণ্ড

ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ করে পুরস্কার পেলেন প্রবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক : কেবলমাত্র অভিযোগ করেই ২ হাজার টাকা পুরস্কার পেয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আজিজুর রহমান নামের এক প্রবাসী শ্রমিক।

শহরের বাণিজ্যিক এলাকার সুনামধন্য কামাল হোমিও হল থেকে গত ৪ অক্টোবর আলফালফা টনিক নামের একটি ঔষুধ কিনেছিলেন তিনি। ২ হাজার টাকা দিয়ে কেনা ঔষুধটি নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পড়ে তার চোখে পড়লো, এতে মেয়াদ কিংবা মূল্য কোনটিই লেখা নেই। তিনি সাথে সাথে ৩৩৩ থেকে নাম্বার নিয়ে যোগাযোগ করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হবিগঞ্জ কার্যালয়ে।

কার্যালয়ের কর্মকর্তা তাকে উপযুক্ত প্রমাণসহ একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরামার্শ দেন। এরপর বহু ভেবে-চিন্তে তিনি গত ২৭ অক্টোবর ভোক্তা অধিদপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরদিন ২৮ অক্টোবর এক অভিযান চলাকালে অভিযোগপত্রসহ কামাল হোমিও হলে হানা দেয় ভোক্তা অধিদপ্তরের টিম। এসময় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয় ঔষুধটির ক্রয় মূল্য ১ হাজার ৫০ টাকা এবং এর গায়ে কোন মূল্য লেখা না থাকায় তারা ১ হাজার দুইশো থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত রেখে থাকেন। এসময় তারা ২ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগটি অস্বীকার করেন। এসময় ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা গত ৪ নভেম্বরের ভাউচারের কার্বনকপি ও সিসি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে অভিযোগের সত্যতা মিলে। এতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয় ঘটনার দিন ভুলক্রমে এ মূল্য রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আর কখনই এমন ভুল হবে না। এসময় সার্বিক দিক বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানটিকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করে অধিদপ্তর। ভোক্তা অধিকার আইন অনুসারে জরিমানা ২৫ শতাংশ পান অভিযোগকারী।

এ হিসাবে অভিযোগকারী মো. আজিজুর রহমান মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকালে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের কাছ থেকে তার পাওনা ২ হাজার টাকা বুঝে নেন। এসময় তিনি অন্যান্য ভোক্তাদেরকেও প্রতারণার স্বীকার হলে ভোক্তা অধিদপ্তরের শরণাপন্ন হওয়ার পরামার্শ দেন।

তিনি বলেন, কোন ধরণের হয়রানি ও ফি ছাড়াই এত সহজ প্রতিকার পাওয়ায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সেবার প্রতি তার আস্থা বহুগুন বেড়ে গেছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com