বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

বিরল সূর্যগ্রহণ ‘রিং অব ফায়ার’ শুরু

তরফ নিউজ ডেস্ক : পৃথিবীবাসী প্রত্যক্ষ করছে এক বিরল সূর্যগ্রহণ। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হওয়া এই গ্রহণ শেষ হবে দুপুর ২টা ৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে। আর ঢাকার আকাশ পরিষ্কার থাকা সাপেক্ষে এটি ৯টা ৪ মিনিট থেকে ১২টা ৬ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার মানুষ পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

তবে সূর্যগ্রহণ খালি চোখে না দেখাই ভালো। নাসা ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে বেশ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে। এগুলো হলো :

খালি চোখে কয়েক সেকেন্ডের জন্য সূর্য গ্রহণ দেখলেও তা রেটিনার ওপর প্রভাব ফেলে। যার কারণে একটা চোখে দৃষ্টিশক্তিও হারাতে পারে মানুষ।

পেরিস্কোপে, টেলিস্কোপ, সানগ্লাস বা দূরবীন, কোনও কিছুর সাহায্যে গ্রহণ দেখার সময় সূর্যের দিকে সরাসরি তাকাতে নিষেধ করা হয়েছে।

গ্রহণের সময় সূর্য রশ্মি অত্যন্ত সংবেদনশীল থাকে যা চোখে প্রভাব ফেলতে পারে। সানগ্লাস বা ঘষা কাঁচ দিয়েও এই গ্রহণ দেখতে বারণ করেছে নাসা। কারণ এইগুলো নিরাপদ না।

সূর্যগ্রহণ চলাকালে খাবার খেতে বারণ করেছে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র। বৃদ্ধ, অসুস্থ ও গর্ভবতী নারীরাই কেবল হালকা খাবার খেতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এটি সাধারণ কোনো সূর্যগ্রহণ নয়। এ সময় সূর্যের চারপাশে দেখা যাবে আগুনের বলয়। বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’।

এর আগে বুধবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। জানা যায়, গ্রহণটি বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে দুপুর ২টা ৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড পর্যন্ত চলবে। এদিন প্রায় গোটা সূর্যটাকেই ঢেকে ফেলবে চাঁদ। সূর্যের অন্তত ৯১.৯৩ শতাংশই ঢেকে যাবে চাঁদের আড়ালে। সেই অবস্থা ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড স্থায়ী হবে। সকাল ৮টা ৫ মিনিট থেকে ৮টা ৮ মিনিট পর্যন্ত সেই দৃশ্য দেখা যাবে। তবে দৃশ্যটি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে।

সর্বশেষ পৃথিবীবাসী এমন বিরল দৃশ্য অবলোকন করেছিল ১৭২ বছর আগে। ১৮৪৭ সালেও এবারের মতো সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছিল অগ্নিবলয়সহ। তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই বিরল সূর্যগ্রহণ চোখ দিয়ে সরাসরি দেখা উচিত হবে না।

জানা যায়, সূর্য, চাঁদ, পৃথিবী এক সরল রেখাতে এলে গ্রহণের ঘটনা ঘটে। সূর্যগ্রহণের সময়, ভ্রমণরত অবস্থায় চাঁদ কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন কিছু সময়ের জন্য পৃথিবীর কিছু জায়গা থেকে সূর্যকে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে আর দেখা যায় না। চাঁদের ছায়া এসে পৌঁছায় পৃথিবীর ওপর। যে কারণে ছায়া পড়া অংশে খানিক সময়ের জন্য দিনের আলো থাকে না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com