মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স পুটিজুরী ইউপি সদস্য জসিম মেম্বার গ্রেপ্তার পুরোনো ভিডিও কেন্দ্র করে মাজার ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, পীরকে কুপিয়ে হত্যা

বাহুবলে মিড ডে মিলে ভয়াবহ অনিয়ম, রুটি চোখেই দেখেনি শিক্ষার্থীরা

বাহুবল (হবিগঞ্জ)  প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে চালু হওয়া মিড ডে মিল কর্মসূচিতে চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত দিনে সিদ্ধ ডিম, রুটি, দুধ ও বিস্কুট সরবরাহের কথা থাকলেও উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কিছুই পায়নি। কোথাও শুধু একটি ডিম দিয়ে দায়সারা কাজ করা হয়েছে, আবার কোথাও সেটিও ছিল ভাঙা ও নষ্ট।

শনিবার (৪ এপ্রিল) উপজেলার ১০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ডিম ও রুটি বিতরণের রুটিন ছিল। কিন্তু সরেজমিন ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান সড়কের পাশের কয়েকটি বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র ডিম বিতরণ করা হলেও অধিকাংশ বিদ্যালয়ে রুটি পৌঁছেনি। অনেক বিদ্যালয়ে ডিমও সরবরাহ করা হয়নি।

শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সপ্তাহে একদিনের মিড ডে মিল কর্মসূচি অনেক সময় শুধু বিস্কুট দিয়েই শেষ করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে একেবারেই অপ্রতুল। এ কারণে সরকারের মহৎ উদ্যোগটি মাঠপর্যায়ে এসে ঠিকাদারি অনিয়ম ও দুর্বল তদারকির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

লাকুড়ীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উজ্জ্বল মিয়া বলেন, “দুই মাস আগে শুধু বিস্কুট পেয়েছিলাম। এরপর আর শিক্ষার্থীদের ভাগ্যে কিছু জোটেনি।”

বড়গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, “আজকে শুধু একটি ডিম দিয়েছে, তাও ভাঙা ও নষ্ট।”
গোলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, “আমাদের শিক্ষার্থীদের নামে বরাদ্দ থাকলেও কিছুই পাইনি। মিড ডে মিল যেন তাদের ভাগ্যেই নেই।”

এ ঘটনায় অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের প্রশ্ন, সরকারি বরাদ্দ কোথায় যাচ্ছে? মাঠপর্যায়ে এমন বড় অনিয়মের পরও প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও প্রশাসনের নজরদারি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমি বর্তমানে সিলেটে আছি। ডিম-রুটি পাওয়ার কথা। কেন পায়নি, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায় বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com