রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

শিশুর আঙুল কেটে দেয়া সেই যুবলীগ নেতা আটক

সিলেটভিউ ডেস্ক : সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে কাস্তে (ধান কাটার কাঁচি) দিয়ে সাত বছর বয়সী শিশুর  আঙুল কেটে দেয়া সেই যুবলীগ নেতা আবদুল অদুদকে অবশেষে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে উপজেলার সোলেমানপুর বাজার থেকেই তাকে আটক করা হয়।

অদুদ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সোলেমানপুর গ্রামের জমির আলীর ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক।

বৃহস্পতিবার তাহিরপুর থানার ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর গণমাধ্যমকে বলেন, মামলার পর অদুদের ছোট ভাই আলম মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এর পর গত প্রায় এক বছর পলাতক থাকার পর বাড়ি ফিরে আসায় বুধবার রাতে সোলেমানপুর বাজার থেকে অদুদকে আটক করা হয়।

প্রসঙ্গত ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের মহালিয়া হাওরের ময়নাখালী বেড়িবাঁধে সোলেমানপুর গ্রামের শাহনুর মিয়ার ছেলে ইয়ামিনকে মাটিতে আছড়ে ফেলে কাস্তে দিয়ে ডান হাতের তিনটি আঙুল কেটে দিয়েছিলেন আবদুল অদুদ নামে ওই যুবলীগ নেতা।

নির্মাণাধীন হাওর রক্ষা বাঁধে গড়াগড়ি দেয়ায় ওই শিশুটিকে এ শাস্তি দেন তিনি। হাওর রক্ষা বাঁধে অদুদ তৎকালীন তাহিরপুরের ২৮ নম্বর প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বর্বোরচিত ঘটনার দিন বিকালে সহপাঠীদের নিয়ে বাঁধের ওপর খেলছিল সোলেমানপুর গ্রামের শাহনুর মিয়ার ছেলে স্থানীয় মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্র ইয়াহিন। সে বাঁধে গড়াগড়ি খেললে তা দেখে ফেলেন আবদুল অদুদ।

এর পর তাকে ধাওয়া করে ধরে মাটিতে কয়েকবার আছাড় মারেন। ইয়াহিন তার পা ধরে ক্ষমা চাইলেও মন গলেনি। এর পর কাঁচি দিয়ে শিশুটির ডান হাতের তিনটি আঙুল কেটে ফেলে দেন তিনি।

স্থানীয়রা শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানেও অবস্থার অবনতি ও আঙুলে পচন ধরায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সর্বশেষ তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনার পর দিন ২০১৮ সালের ২০ মার্চ শিশু ইয়ামিনের পিতা শাহানুর মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার মূলহোতা অদুদ মিয়া ও তার সহোদর আলম মিয়াকে আসামি করে তাহিরপুর থানায় মামলা করেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com