মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাহুবলে জনতা ব্যাংক ব্যবস্থাপকের বিদায় ও বরণ চুনারুঘাটে এলপিজি ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বাহুবলে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ পেলেন ২৪ ভূমি মালিক সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭তম বর্ষ উদযাপন চুনারুঘাটে ‘মেয়র মোহাম্মদ আলী স্মৃতি’ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন ৩ অক্টোবর অযত্ন-অবহেলায় ফয়জাবাদ বধ্যভূমি, রাতে মাদকসেবীদের আড্ডা ডিসিপি হাই স্কুলে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছেন নাজিম উদ্দিন শামসু চুনারুঘাটে সীমানার বাইরে বালু উত্তোলন, লাখ টাকা জরিমানা চুনারুঘাটে দুই দিনব্যাপী ‘বৈচিত্র্যের উৎসব’, আসছেন যারা

গাছ চুরির অভিযোগে বনবিভাগ বিভাগের চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও তেলমাছড়া বনের মূল্যবান গাছ চুরির অভিযোগে বন বিভাগের চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বেচ্ছাসেবক বন্যপ্রাণী সংগঠন পাখি প্রেমিক সোসাইটির আহবায়ক মুজাহিদ মসি হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলটি দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক মুহাম্মদ শাহেদুল আলম মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই হবিগঞ্জকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলা সিআর নং-৭৪৫/২৫ হিসেবে নথিভুক্ত হয় এবং আগামী ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়। মামলায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট নূর মোহাম্মদ, তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, বন প্রহরী সুমন বিশ্বাস।

অভিযোগ এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২ মার্চ, ২০ মার্চ ও ৯ আগস্ট সাতছড়ি ও তেলমাছড়া বিট থেকে বিপুল পরিমাণ সেগুনসহ মূল্যবান বনজ গাছ কেটে বিক্রি করা হয়। এছাড়া বন্যপ্রাণী পাচার, শিকারিদের সহযোগিতা, বনের ফল বিক্রি করে বন্যপ্রাণীর খাদ্য সংকট সৃষ্টি এবং পর্যটকদের কাছে বিক্রি করা টিকেট বাবদ রাজস্ব আত্মসাৎ করার অভিযোগও আনা হয়েছে। মামলার আইনজীবী শাহ ফখরুজ্জামান বলেন, উদ্যানের মূল্যবান গাছ চুরির ঘটনা দীর্ঘদিনের। জনস্বার্থে মামলা হয়েছে এবং সঠিক রায়ের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

বন বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা হলে. সিলেটের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবুল কালাম জানান, আমরাও তদন্ত করছি। যারা জড়িত, তাদের বিচার হওয়া উচিত। মামলার বাদি মুজাহিদ মসি জানান,বনের গাছ চুরির রহস্য উন্মোচন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র‍্য রক্ষার জন্য আমি বাধ্য হয়ে মামলা দায়ের করেছি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com