মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
রায়হান উদ্দিন সুমন, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) : বানিয়াচং উপজেলার ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এরশাদ আলীর বিরুদ্ধে একই রাস্তায় ৪বার বরাদ্দ দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা আত্মসাত এই মর্মে করা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেয়ার আবেদন জানিয়েছেন অভিযোগকারী বাগহাতা গ্রামের আব্দুর রহমান মিয়ার পুত্র আব্দুর রউফ।
তিনি সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা এগারটার দিকে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে একটি লিখিত দাখিলী আবেদন প্রত্যাহার আবেদন করেন। তার আগের দিন (রোববার) এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে আবেদন করেন আব্দুর রউফ।
লিখিত আবেদনে অভিযোগকারী আব্দুর রউফ উল্লেখ করেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রোজ রোববার বানিয়াচং ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আতœসাত করেছেন মর্মে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একখান লিখিত অভিযোগ দাখিল করি। আমি বিগত ৪/৫বছর যাবত হবিগঞ্জ শহরে বসবাস করে আসছি। আমি অভিযোগে উল্লেখিত প্রকল্পের কাজের বিষয়ে না জেনে অন্যের প্ররোচনায় অভিযোগ দায়ের করেছিলাম।
সরেজমিনে প্রকল্পের কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে দেখতে পাই এবং উক্ত এলাকার লোক মারফত জানতে পারি আলাদা আলাদা প্রকল্পে শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন-এলাকার জনপ্রিয় চেয়ারম্যান এরশাদ আলীর মানসম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য আমার প্রতিবেশী বন্ধু মহিউদ্দিন, পিতা-আমান আলী এবং আমার মামা মো.রেজাউল করিম, পিতা-আব্দুল করিম আমাকে ভুল বুঝিয়ে আমার দ্বারা উক্ত অভিযোগটি দায়ের করায়। না জেনে আমার অভিযোগ করা একদম ঠিক হয়নি।

যেহেতু আমি সম্পুর্ণ অবগত না হয়ে অত্র অভিযোগটি দাখিল করেছিলাম তাই আমি সেই অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আমি এ ধরণের মিথ্যা অভিযোগ কারো বিরুদ্ধে করব না মর্মে অঙ্গীকার করছি। আমার দাখিলীয় অভিযোগটি প্রত্যাহার করতে মহোদয়ের সদয় মর্জি কামনা করছি।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অভিযোগকারী আব্দুর রউফ এর মোবাইল নাম্বাারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মোবাইলটি বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন খন্দকারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, অভিযোগ প্রত্যাহারের একটা কপি পেয়েছি। তথ্য পাইছি তথ্য অনুযায়ি কাজ করব। তথ্য যদি সঠিক থাকে তাহলে সমস্যা নাই। তারপরও আমি বিষয়টি দেখার জন্য পিআইওকে পাঠিয়েছি। দেখে আমাকে জানানোর জন্য।
প্রসঙ্গত,গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রোববার “একই রাস্তায় ৪বার বরাদ্দ ॥ ২০ লাখ টাকা আতœসাতের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে”।এই শিরোনামে জাতীয়,স্থানীয় ও বেশ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।