রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

স্কুলের খেলার মাঠে বালুর স্তুপ!

নিজস্ব প্রতিবেদক : মনু নদীর তীরবর্তী কয়েকটি এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। স্থানীয় ইজারাদার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের শর্ত ও চুক্তি ভঙ্গ করে বালু উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণেই একটি স্কুল মাঠে খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষিজমি ক্রমশই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে মনু নদীর কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের গজভাগ আহমদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকার ইউসুফ সদর মৌজা এলাকায় গিয়ে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, মনু নদী থেকে মাস খানেক থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলা অব্যাহত রয়েছে। এবং এই বালু তুলে স্থানীয় গজভাগ আহমদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের খেলার মাঠে স্তুপ করে রাখা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা যেমন খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি বিকেল বেলা স্থানীয়রাও বঞ্চিত হচ্ছেন শারীরিক বিভিন্ন কসরত থেকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ক্রীড়ামোদী জানান, এলাকার যুবক ও খেলোয়াড়রা মাঠে নিয়মিত প্র্যাকটিস করে। কিন্তুু মাঠে বালু থাকার কারণে আমরা এখনো বিকেল বেলা ফুটবল খেলা থেকে বঞ্চিত রয়েছে তারা।

গজভাগ আহমদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, আমরা কয়েকবার ইজারাদারদের বালু তুলে স্কুলে মাঠে রাখতে নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা শুনছে না। তারা বার বার সড়িয়ে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিলেও এ পর্যন্ত বালু স্কুল মাঠে স্তুুপ করে রাখা অব্যাহত রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা মধ্যাহ্ন বিরতির সময় খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

মনু নদীর ইজারাদার মোঃ বদরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, নিয়ম মেনেই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর দক্ষিণপাশের মৌজা থেকে বালি উত্তোলন করে স্তুপ ও বিক্রয় করার জন্য ঠিকমত যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় উত্তরপাশের বিক্রয় সুবিধার জন্য বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পৃথিমপাশা ইউনিয়ন ভূমি-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোত্তাকীন বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনে বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি অফিসে বাইরে আছি, খবর নিচ্ছি।

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন জানান, বালু উত্তোলনের বিষয়টি জানার পর কুলাউড়ার ইউএনওকে নির্দেশ দিয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com