রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

নওগাঁর তিন উপজেলার খামারীরা গবাদী পশু নিয়ে হতাশায়

মো. শহিদুল ইসলাম, নওগাঁ: প্রতিবছর কোরবানীর ঈদ মৌসুমে সীমান্তবর্তী সাপাহার উপজেলা দিয়ে বানের পানির মত ভারত থেকে গবাদী পশু আসলেও এবারে ব্যতিক্রম ঘটেছে । বর্তমানে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও ভারতীয় বিএসএফ’র কঠোর নজরদারীতে গবাদি পশু আমদানী বন্ধ থাকলেও এলাকার খামারীরা তাদের পালিত গবাদি পশু নিয়ে দারুন বিপাকে পড়েছে।

বৈশ্বিক করোনা মহামারী ও বন্যার কারণে এবারে কোরবানী দাতার সংখ্যা কমে গেছে । খোলা মেলা ভাবে পশুর হাট না বসলেও যে টুকু সময় নিয়ে হাট বসছে সেখানে গরু ছাগল বিক্রেতার তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা একেবারে নগন্য বললেই চলে। দেশের সীমান্ত ঘেঁষা সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলার সাধারণ খামারীদের পাশাপাশি অনেক দরিদ্র পরিবারের লোকজন লাভের আশায় অন্তত দু’একটি করে পশু পালন করেছিলেন। তাদের ধারণা সারা বছর গরু পালন করে কোরবানীর সময় হয়ত একটু লাভের মুখ দেখবেন। এখন তাদের সে আশায় গুড়ে বালি। সাধারণ খামারীদের পাশাপাশি তারাও লোকশানের মুখে পড়ে হতাশায় ভুগছেন।

তিনটি উপজেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাগনের নিকট থেকে জানা গেছে সাপাহার উপজেলায় ছোট বড় ৩ হাজার টি খামারে কোরবানীর জন্য প্রায় ১৪হাজার ৬৮২টি গরু প্রস্তুত রয়েছে, এছাড়া পোরশা ও নিয়ামত উপজেলায় ৩হাজার৪১২টি খামারে রয়েছে ১৮হাজার ৭১২টি গরু। যা এই তিন উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে অর্ধেকের চেয়েও বেশী প্রাণী জেলার বাইরে পাঠানো যাবে। এরই মধ্যে আনেকেই কোন রকমে খরচ সহ তাদের আসল দামেই গরু বিক্রি করছেন। অনেকে আবার কিছু লোকশান করে তাদের পোষা গরু বিক্রি করছেন।

এছাড়া বাজার মুল্যে কম থাকায় অনেকে পরবর্তীতে লাভের আশায় তাদের গরু খামারেই রেখে দিচ্ছেন। চলতি বছর গরু পালনকারী খামারীরা যে ভাবে লোকশানের মুখে পড়েছে তাতে করে গরু পালন পেশা টি আগামীতে হুমকীর মুখে পড়বে বলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: আশীষ কুমার দেবনাথ সহ অনেক খামারীরা জানিয়েছেন। এজন্য ভবিষ্যতে তারা গবাদী পশু পালন ও খামার টিকিয়ে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি খামারীদের জন্য প্রণোদনা সহযোগীতা কামনা করেছেন।

এছাড়া দেশে কৃষি দপ্তরে যে রকম কৃষি বিপণন উইং রয়েছে এ অঞ্চলের প্রাণীসম্পদের এনিম্যাল বিপণন উইং খোলার জন্য খামারীগণ সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com