শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা প্রশাসনের এক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরকে তাঁর শিশু সন্তান ও বয়স্ক মায়ের সঙ্গে বাড়িতে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্বজনদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার দ্বিমাগুরুন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জুনু আক্তার চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত। তাঁর শিশু সন্তান সামিয়া আক্তার ও বয়স্ক মাকেও আটকে রেখে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
জুনু আক্তারের অভিযোগ, তাঁর ভাশুর সেলিম মিয়া, রুবি আক্তার, সাদিয়া আক্তার, সুমাইয়া আক্তার ও সাদিকা আক্তার মিলে তাঁদের বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁর গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুনু আক্তার জানান, চুনারুঘাট পৌর শহরের মা স্যানিটারি সাপ্লাইয়ের মালিক তাঁর স্বামী। তাঁর স্বামীর আরও তিন ভাই রয়েছেন। ব্যবসা ও সম্পত্তি নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে তাঁকে, তাঁর শিশু সন্তান ও মাকে বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, মারধরের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীকে জানানো হয়। পরে ইউএনওর নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
জুনু আক্তার বলেন, চিকিৎসা শেষে তিনি এ ঘটনায় মামলা করবেন।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ পাঠিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।