শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি জেলা পরিষদের পুকুর দখল, এক মাসের কারাদণ্ড চা বাগানে পূজার আনন্দ, শ্রমিকদের পাশে এমপি ফয়সল চুনারুঘাটে অবিরাম ভাঙছে পাহাড়-টিলা, নেই টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার: সিভিল সার্জন দুর্গাপূজায় চালের বরাদ্দ বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী: এমপি ফয়সল বিদ্যালয়ে শিক্ষিকাকে হয়রানির অভিযোগ: সচেতন মহলের ক্ষোভ চুনারুঘাটে হযরত মুজিবুর রহমান (র:) হিফজ ও এতিমখানা: দুস্থ ও এতিম শিশুদের নিরাপদ ঠিকানা চুনারুঘাট সীমান্তে ভারতীয় মদ ও রসুন জব্দ বাহুবলে জনতা ব্যাংক ব্যবস্থাপকের বিদায় ও বরণ

ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

রায়হান উদ্দিন সুমন, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) : বানিয়াচং ২নং উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের ৪, ৫ ও ৬ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে মাতৃকালীন ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ দাখিল করেছেন উক্ত ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের আমির খানীর মহল্লার বাসিন্দা সোহাগ মিয়ার স্ত্রী জামিনা আক্তার। গত বুধবার (৬নভেম্বর) বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন খন্দকারের বরাবরে এ অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে জানা যায়, ইউপি জামিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ইউনিয়ন অফিসে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকালীন কর্মসূচীর আওতায় তালিকাভুক্ত হয়ে ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। যাহার বহি: নং-০১০১৬৬১৫ ও ক্রমিক নং-৪৫। ইউপি মেম্বার মনোয়ারা বেগম উক্ত বহি:নাম্বার পরিবর্তন করে ০১০১৩৬১৫ এই সংখ্যা দিয়ে উপকারভোগী জামিনা বেগমকে না জানিয়ে চলতি বছরের মোট ৯হাজার ৬শ টাকা উত্তোলন করেন।

বিষয়টি জামিনা আক্তার জানতে পেরে ইউপি মেম্বার মনোয়ারা বেগমকে সেই টাকা দেয়ার জন্য বললে দেই দিচ্ছি এবং একাউন্টে টাকা জমা হয় নাই বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। বারবার তাগিদ দেয়ার পরও অদ্যবধি পর্যন্ত সেই টাকা ফেরত দেননি ইউপি মেম্বার মনোয়ারা বেগম।

অভিযোগ রয়েছে এই মনোয়ারার বিরুদ্ধে আরো অনেক ভাতাভোগীদের কাছ থেকে নাম অন্তর্ভুক্ত করবেন বলে মোট অংকের টাকা নিয়েছেন। তাই বিষয়টি সুরাহা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আবেদন করেছেন জামিনা আক্তারসহ আরো কয়েকজন উপকারভোগী।

কথা হয় ইউপি মেম্বার মনোয়ারা বেগমের সাথে। তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্বপুর্ণ। যেহেতু এটা ব্যাংকের ব্যাপার কে টাকা উত্তোলন করছে সেটা আমি নিজেও জানিনা। আর আমি যদি টাকা উত্তোলন করে থাকি তাহলে তো প্রমান থাকবে। ব্যাংক ম্যানেজারকে নিয়ে এগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগ পেয়েছি। গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com