বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

ওষুধের দোকানি মাজহারুল হত্যা : ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

তরফ নিউজ ডেস্ক : ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শিয়ালধরা বাজারের ওষুধের দোকানি মাজহারুল ইসলাম ওরফে পল্টন হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার অপর ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ার তাদেরকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একলাছ উদ্দিন ওরফে জুয়েল, আবুল কাশেম ওরফে বাচ্চু মেম্বার, কবির মিয়া, আবুল কাশেম, বাদল মিয়া, ফারুক মিয়া, রুমা আক্তার, আবুল কালাম আজাদ ওরফে পিনু ডাক্তার, চন্দন, শুক্কুর আলী ওরফে আশ্রাফ আলী। এদের মধ্যে ফারুক মিয়া ও রুমা আক্তার পলাতক।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আফতাব উদ্দিন ওরফে আক্রাম আলী, বদরুল আলম ওরফে বদরুল, ইসমাইল হোসেন, কাজল মিয়া, রফিক, আবু সিদ্দিক ও দুলাল।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজ ২৪ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বা ১ মার্চ সকালে মাজহারুলকে তার ওষুধের দোকানে মাথা ও কপালে আঘাত করে খুন করা হয়। হত্যার পর দোকানের ভেতরে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে গামছা দিয়ে মরদেহ বেঁধে রেখে দোকানে তালা দিয়ে চলে যায় আসামিরা। ঘটনার দিনই মাজহারুলের বোন বিউটি আক্তার বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় হত্যা মামলা করেন।

পরের বছরের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নান্দাইল থানার পরিদর্শক জসিম উদ্দিন ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিট দাখিলের পর জব্বর মোহরী নামে এক আসামি মারা যান। পরে আদালত জব্বর মোহরীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ১৭ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন।

মামলার চার্জশিটভুক্ত ৩০ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com