বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বর্তমান বাংলা’র চুনারঘাট প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন আসাদ ঠাকুর যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে : প্রধান উপদেষ্টা চুনারুঘাটে সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক বিক্রেতাদের আটক বাহুবলে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে রাতভর অভিযান, যুবকের কারাদণ্ড বাহুবলে প্রকাশ্যে অবৈধ করাতকল, বন উজাড়ে নীরব প্রশাসন বাহুবলে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ পাঠদান অনুমতির সনদ পেলো করাঙ্গী ইসলামি একাডেমি এন্ড হাই স্কুল বাহুবলে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোচালক নিহত ধর্মঘট প্রত্যাহার হলেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. রেজা কিবরিয়াকে শোকজ

ভোটের ৪ দিন আগে নতুন সিইসি নিয়োগের দাবি

তরফ নিউজ ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরল হুদার পদত্যাগ দাবি করেছে ঐক্যফ্রন্ট। আজ মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) গুলশান কার্যালয়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে ঐক্যফ্রন্টের জরুরি রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে জোটের পক্ষ থেকে এ দাবি জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, দেশে নির্বাচনের কোন পরিবেশ নেই। যা হচ্ছে তা হলি খেলা।

সিইসির পদত্যাগ দাবি করে মির্জা ফকরুল বলেন, বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কাছ থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচনতো নয়ই, নিরপেক্ষ আচরণও আশা করা যায় না। সেজন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চার দিন আগে নতুন সিইসি নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি জানিয়েছে তারা।

মির্জা ফখরুল মঙ্গলবার সিইসির সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে সিইসির আচরণের সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশে নির্বাচন নয়, হোলি খেলা হচ্ছে।

এর আগে বিকালে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভা বর্জনের পর জরুরি বৈঠক ডাকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আগে দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে চলমান বৈঠক বর্জন করে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বেরিয়ে আসেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। ওই দুপুরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে তুমুল উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। উত্ত্যপ্ত বাক্যবিনিময় হয় দুপক্ষে। একপর্যায়ে সভাশেষ না করেই সংক্ষুব্ধ হয়ে বেরিয়ে যান ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনসহ অন্যরা।

ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে হামলা-বাধা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ শুনতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অনীহা প্রকাশ করেন। উপরন্তু তিনি পুলিশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতার সঙ্গে ‘অশোভন আচরণ’ করেন। এ কারণে তারা সভা থেকে উঠে আসেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com