বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

হেফাজতের গন্তব্য কোথায়?

তরফ নিউজ ডেস্ক : অরাজনৈতিক সংগঠন। কিন্তু গত আট বছর ধরে রাজনীতির ময়দানে বারবারই আলোচনায় এসেছে হেফাজত। শাপলা চত্ত্বরের ঘটনাপ্রবাহের পর সংগঠনটি কখনোই হিসাবের বাইরে ছিল না। পর্দার আড়ালে ঘটেছে বহু ঘটনা। যার বেশিরভাগই প্রকাশ্যে আসেনি। হয়তোবা কোনদিন আসবেও না। গত সেপ্টেম্বরে আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজত কোনদিকে যায় সেদিকে দৃষ্টি ছিল সবার। তার একটি উত্তর গতকাল পাওয়া গেছে।

কিন্তু নানা  অনিশ্চয়তা, প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। দৃশ্যত হেফাজতে বিভক্তি আরো স্পষ্ট হয়েছে। যদিও নতুন কমিটির নেতারা একে বিভক্তি বলতে নারাজ। তাদের কথা হলো, কওমি ধারার প্রায় সব শীর্ষ আলেমই তাদের সঙ্গে রয়েছেন।
এটা সবার এরইমধ্যে জানা, হেফাজতের নতুন আমীর নির্বাচিত হয়েছেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। আর মহাসচিব হয়েছেন মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমি। গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন আলোচিত তরুণ মাওলানা মামুনুল হক। প্রয়াত আমীর আল্লামা আহমদ শফীর পুত্র আনাস মাদানী এবং তার সমর্থকদের নতুন কমিটিতে জায়গা হয়নি। প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই হেফাজতের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী। তবে শেষ দিকে আনাস মাদানীকে কেন্দ্র করে আল্লামা শফীর সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। হেফাজত হেডকোয়ার্টার হিসেবে পরিচিত হাটহাজারী মাদ্রাসায় যখন নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয় কাছাকাছি সময়ে ঢাকায় এক বৈঠকে মিলিত হন নতুন কমিটির বিরোধী নেতারা। আগের কমিটির নায়েবে আমীর মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা মাঈনুদ্দিন রুহীসহ কয়েকজন এই বৈঠকে যোগ দেন। আগামী শনিবার ফের বৈঠকে মিলিত হবেন তারা। মুফতি ওয়াক্কাস বলেন, গঠিত কমিটি সার্বজনীন হয়নি। কোনো প্রকার নিয়ম অনুযায়ী হয়নি।
হেফাজতের গন্তব্য কোথায়? সে প্রশ্নটি এখন নতুন করে আলোচিত হচ্ছে। হাটহাজারীর সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে সংগঠনটির নেতারা একটি বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছেন যে, হেফাজত সরকার বিরোধী নয়, আবার সরকার সমর্থকও নয়। এখন দেখার বিষয় নতুন নেতারা হেফাজতকে কোন নীতির ভিত্তিতে পরিচালনা করেন। তবে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, বিভক্তি আরো বড় হয়, নাকি বিরোধীরা নতুন নেতৃত্ব মেনে নেন। যদিও হাটহাজারী মাদ্রাসার ওপর নিয়ন্ত্রণ আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে কিছুটা সুবিধানজনক অবস্থায় রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তাছাড়া, কওমি ধারার আলোচিত সিংহভাগ নেতাই নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। তবে সহসাই দৃশ্যপট আরো পরিষ্কার হবে। বিরোধীদের শনিবারের বৈঠকেই সে ব্যাপারে মোটামুটি বার্তা পাওয়া যেতে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com