রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

আশ্বাসের জবাবে শিক্ষার্থীরা বললেন ‘ভূয়া ভূয়া’

তরফ নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর বসুন্ধরায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে সমস্বরে স্লোগান দেন ‘ভূয়া ভূয়া।’ আজ বেলা ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ আগে ওই এলাকায় বাসচাপায় নিহত আবরারের নামে একটি ফুটওভার ব্রিজের ভিত্তি স্থাপন করেন তারা।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর তারা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে নেয়ার দাবি জানান। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে কয়েক দফা দাবি তুলে ধরেন। তারা অবিলম্বে সুপ্রভাত ও জাবালে নূর পরিবহনের লাইসেন্স বাতিল ও চলাচল বন্ধের দাবি জানান।

তাদের এসব দাবির প্রেক্ষিতে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান বলেন, সুপ্রভাত বাসের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আগামীকাল থেকে এই বাস আর চলাচল করবে না।

অন্যদিকে জাবালে নূর পরিবহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে। এ সময় বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা ‘ভূয়া ভূয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। কমিশনারকে বক্তব্য থামাতে বলেন। তারা বলেন, আপনারা এর আগেও কথা দিয়েছিলেন। সেই কথা রাখেননি। যার কারণে আবারও আমাদের প্রাণ দিতে হলো, আবারও মাঠে নামতে হলো। এ সময় কমিশনার বলেন, আপনারা আমাদের দমাতে পারবেন, গালিও দিতে পারবেন, কিন্তু আজ যে সমস্যার তৈরী হয়েছে তার শেষ হবে না। আসুন আমরা সবাই মিলে, সমস্যার সমাধান করি।

একই সময় বিইউপি’র ভিসি মেজর জেনারেল এমদাদুল বারীও শিক্ষার্থীদের অবরোধ তুলে নিতে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও সাড়া দেয়নি তারা।


পরে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি তোমাদের ভাই, তোমাদের নগরপিতা, তোমাদেরই একজন। আমি তোমাদের সঙ্গেই আছি। বলেন, তোমরা যে সমস্যায় পড়েছো, সেই সমস্যার সমাধানে আমরাও একমত। কাজেই জনগণের দুর্ভোগ না করে আমরা সড়ক ছেড়ে দিই। আর সমস্যা সমাধানে মন দিই।

এ সময় শিক্ষার্থীরা মাইক ছেড়ে দিয়ে মেয়রকে নেমে যেতে আহ্বান জানান। এরপরও তিনি কথা বলতে চাইলে পারেননি। পরে ডিএমপি কমিশনার ও পুলিশে উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পরে মেয়র ও ডিএমপি কমিশনার রামপুরায় বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের কাছে যান। সেখানে ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসিসহ তারা বোঝানোর চেষ্টা করেন। তারা শিক্ষার্থেিদর সুনির্দিষ্ট দাবি-দাওয়া দিয়ে আন্দোলন তুলে নিতে বলেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের আহ্বানে সাড়া দেননি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com