বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাহুবলে ৫ আওয়ামীলীগ নেতাকে হারিয়ে আলেম চেয়ারম্যান নির্বাচিত শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাস যোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর- এসপি আক্তার হোসেন জনগণ যাকে ভালবাসবে, দায়িত্ব দিতে চাইবে, তাকেই দেবে- জেলা প্রশাসক বাহুবলে বিয়ের আনন্দ-ফুর্তি চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবতীর মুত্যু বাহুবল উপজেলা নির্বাচন : ২০ প্রার্থীর মাঝে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ বাহুবল উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাহুবলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ বাহুবল হাসপাতালের নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রথম সভা বাহুবলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বাছাইয়ে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ বাহুবল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

তামিম ঝড়ে মাতল বিপিএল

অবিশ্বাস্য এক ইনিংস খেলেছেন তামিম।

ক্রীড়া ডেস্ক : কুমিল্লা জিতলেই সারা দেশের মানুষকে বিরিয়ানি খাওয়ানো হবে। এমন আশা দেখিয়েছেন এক ভিক্টোরিয়ানস ভক্ত। ফাইনালের আগে এমন অনুপ্রেরণা পেতে কার না ভালো লাগে। তামিম ইকবালেরও নিশ্চয় লেগেছে। মানুষকে বিরিয়ানি খাওয়ানোর তাড়না যদি নাও পান, নিজের প্রথম বিপিএল স্মরণীয় করে রাখার ইচ্ছা তো জাগতেই পারে তাঁর। ষষ্ঠ বিপিএলে এসে প্রথম ফাইনালে খেলতে নেমে বিপিএলে নিজের সেরা ইনিংসটাই খেললেন। তামিমের অবিশ্বাস্য ইনিংসে ১৯৯ রানের পাহাড় গড়েছে কুমিল্লা।

ইনিংসের শুরুতে এমন কিছু সম্ভব বলে মনে হচ্ছিল না। বরং দেশবাসীকে বিরিয়ানি খাওয়ানোকে বড় চাপের কাজ মনে করাচ্ছিল কুমিল্লা। দ্বিতীয় ওভারেই রুবেল হোসেনের দুর্দান্ত এক বলে এলবিডব্লু এভিন লুইস। ৪ ওভার শেষেও কুমিল্লার রান মাত্র ১৭। সাকিব আল হাসানের প্রথম ওভারে ১৫ রান তুলে পাওয়ার ওভার ১ উইকেটে ৪০ রান নিয়ে শেষ করেছে কুমিল্লা।

১০ ওভার শেষেও কুমিল্লার রান (৭৩/১) আশা জাগাচ্ছিল না। ঢাকার ফিল্ডার আর ভাগ্যের সহযোগিতা মিলিয়ে দুবার করে জীবন পেয়েছেন এনামুল হক ও তামিম ইকবাল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েই ফিরতে হয়েছে এনামুলকে। সাকিবের বল প্যাডে লেগেছিল। কিন্তু আম্পায়ার উট দিয়ে দিলেন! এনামুল রিভিউ নিতে চাইলে সাকিব মনে করিয়ে দিলেন রিভিউ নেওয়ার উপায় নেই!দুই বল পর শামসুর রহমান অযথা রান আউট হয়ে তামিমের বকা শুনে ডাগ আউটে ফিরলেন।

এর আগেই ১১তম ওভারে শুভাগত হোমকে পিটিয়ে ফিফটিটা পেয়ে গেলেন তামিম। ৩১ বলে পঞ্চাশ, বেশ আক্রমণাত্মক ইনিংস। কিন্তু তখনো আসল ঝড় আসা বাকি। ১৫তম ওভারে প্রথম ঝড়টা টের পেলেন রুবেল। দুই চার ও দুই ছক্কায় এল ২৩ রান। ১৭তম ওভারে আন্দ্রে রাসেল এলেন। তাঁকেও দুই চার ও দুই ছক্কা। এর মাঝে প্রথম চার ও ছক্কাতেই সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন। ৫০তম বলেই। অর্থাৎ ১৯ বলে এসেছে দ্বিতীয় ফিফটি। সে ওভারে এল ২২ রান।

পরের ওভারে বন্ধু সাকিবকে পেয়ে টানা দুই বলে চার ও ছয়। ১৯তম ওভারে সে তুলনায় একটু শান্ত তামিম। মাত্র একটি ছক্কাই এল ১৯তম ওভারে। শেষ ওভারেও মাত্র(!) এক ছক্কাসহ এল ১০ রান। কুমিল্লাও থামল ১৯৯ রানে। তামিমও সন্তুষ্ট হলেন ১৪১ রানেই। ৬১ বলের ঝড়ে চার মাত্র ১০ টি। কারণ চারের চেয়ে ছক্কা মারাতেই বেশি তৃপ্তি পেয়েছেন তামিম, মেরেছেন ১১টি ছক্কা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com