মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৮:১০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১৯ উপজেলার নির্বাচন স্থগিত বাহুবল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাদ, সুন্দর ও দাঙ্গামুক্তভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাসার ছাদে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু রেমাল পরিণত প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে, মহাবিপদ সংকেত বাহুবলে ৫ আওয়ামীলীগ নেতাকে হারিয়ে আলেম চেয়ারম্যান নির্বাচিত শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাস যোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর- এসপি আক্তার হোসেন জনগণ যাকে ভালবাসবে, দায়িত্ব দিতে চাইবে, তাকেই দেবে- জেলা প্রশাসক বাহুবলে বিয়ের আনন্দ-ফুর্তি চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবতীর মুত্যু বাহুবল উপজেলা নির্বাচন : ২০ প্রার্থীর মাঝে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ বাহুবল উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গুজবে ভাসছে হবিগঞ্জ-২, কে হচ্ছেন বড় দুই দলের প্রার্থী

বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা  : সকালে এক প্রার্থী নিশ্চিত তো বিকালে আরেক প্রার্থী নিশ্চিত। এই বলে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঝড় তুলে যাচ্ছেন কর্মী-সমর্থকেরা। বর্তমান সময়ে এই রকম গুজব ভেসে বেড়া্েচ্ছ বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ নির্বাচনী আসনে ভোটারদের মধ্যে। নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীদের নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ফেসবুকে ইঙ্গিত করে যাচ্ছেন।

জানা যায়,এই আসনে আগামীতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য আ’লীগ থেকে এগার জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন ফর্ম তোলে জমা দিয়েছেন। বিএনপি থেকে ছয়জন প্রার্থী তাদের দলীয় ফর্ম তোলেছেন। তবে এদের মধ্যে কয়েকজন ফর্ম জমা দেননি এখনো। এই আসনে কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপির প্রার্থী দলীয়ভাবে তা ঘোষণা করা না হলেও সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে গুজব। ছড়িয়ে পড়ছে তথ্য বিভ্রাটের ডালপালা।

তরুণ প্রজন্ম নির্বাচনী ইস্যুতে তথ্য আদান-প্রদানে ফেসবুকের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই গুজবে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের মূলধারার গণমাধ্যমগুলো থেকে সঠিক তথ্য উঠে না আসায় আস্থা রাখতে হয়েছে অনলাইন নিউজ পোর্টালের দিকে। প্রার্থী নিয়ে যার যেমন খুশি ফেসবুকে মন্তব্য দিচ্ছে,সত্য-মিথ্যা প্রকাশ করছে। সেই সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই অন্যরা লাইক কমেন্ট দিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশা। আবার শেয়ার লাইকের মাধ্যমে সর্বত্র গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছে।

দলীয় প্রধানের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত প্রার্থীদের কোন তালিকা প্রকাশ করা হয়নি মর্মে ঘোষনা দেয়ার পরও কর্মী সমর্থকদের অতি উল্লাসের ফলে একে অপরের মধ্যে আক্রোশের মাত্রাটা আরো বেড়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। বিশেষ করে প্রভাবশালী দলের দুই প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের নিজের প্রার্থীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এগিয়ে রাখছেন।

কোনো কোনো প্রার্থী আবার পোস্টারে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করে এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। যা অনেকটাই নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের শামিল বলে মনে করছেন সচেতন মহল। একে অন্যের সঙ্গে মতবিনিময় এবং খবরের আদান প্রদান করছে ফেসবুক।

এই খবরের আদন প্রদানই মুলত গুজব ছড়াচ্ছে চতুর্দিকে। কারণ ফেসবুক,টুইটার,ইউটিউব,ব্লগ ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর প্রচার ও তথ্য আদান প্রদানে যাচাই বাছাইয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। ব্যবহারকারীদের তেমন দায়বদ্ধতাও নেই। সেই জন্যই যে যার খুশি মতো নিজের পছন্দের প্রার্থীকে প্রচারে এগিয়ে রাখছেন এই মাধ্যমগুলোতে।

তবে বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ আসনে শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন বড় দুই দলের প্রার্থী তা এখনো নিশ্চিত করে বলা না গেলেও তা জানতে আরো কয়েকটা দিন অপেক্ষা করা হতে পারে ওই আসনের ভোটারদের।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com